সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট এর মৃত্যুতে রাষ্ট্রীয় শোক দিবসের দোয়া

সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট এবং আবুধাবির শাসক শেখ খলিফা বিন জায়েদ আল নাহিয়ান শুক্রবার (১৩ মে ২০২২) মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর। দেশটির প্রেসিডেন্টের কার্যালয় এই তথ্য জানিয়েছে।

২০০৪ সালে আমিরাতের প্রথম প্রেসিডেন্ট শেখ জায়েদ বিন সুলতান আল নাহিয়ানের মৃত্যুর পর তার ছেলে শেখ খলিফা বিন জায়েদ আল নাহিয়ান প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেন। এর এক দশক পর তিনি স্ট্রোকের শিকার হন, তখন থেকেই তাকে জনসম্মুখে খুব বেশি দেখা যায়নি। তিনি বেশ কয়েক বছর ধরে নানা ধরনের শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন।

প্রেসিডেন্ট শেখ খলিফা বিন জায়েদ আল নাহিয়ান সংযুক্ত আরব আমিরাতের দ্বিতীয় প্রেসিডেন্ট এবং আবু ধাবির ১৬তম শাসক ছিলেন। এছাড়াও সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে অবস্থিত বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু টাওয়ারটির নাম প্রয়াত শাসকের নামে বুর্জ খলিফা রাখা হয়।

১৯৪৮ সালের ৭ সেপ্টেম্বর আমিরাতের আল মুওয়াইজি ফোর্টে জন্মগ্রহণ করেন শেখ খলিফা। আমিরাতের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম প্রেসিডেন্ট শেখ জায়েদ বিন সুলতান আল নাহিয়ানের জ্যেষ্ঠ পূত্র ছিলেন তিনি।

গতকাল শুক্রবার বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে ‘বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ খলিফা বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের ইন্তেকালে আজ ১৪ মে, শনিবার বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয়ভাবে এক দিনের শোক পালন করার ঘোসনা প্রদান করা হয়।’ তারই অংশ হিসেবে আমরা এখন প্রেসিডেন্ট শেখ খলিফা বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের রুহের মাগফিরাতের জন্য মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে বিশেষ দোয়া করব।

দোয়ার শুরুতে সকলে ১ বার সূরা ফাতিহা, ৩ বার সূরা ইখলাস ও কয়েকবার দরুদ শরীফ পাঠ করি।

দোয়া:

রব্বানা আতিনা ফিদ্দুনিয়া ——–

ইয়া আল্লাহ তায়ালা, যোহরের সালাত আদায় করে সূরা ফাতিহা, সূরা ইখলাস ও দরুদ শরীফ পাঠ করে আপনার শাহী দরবারে হাত তুলেছি। মেহেরবানী করে আমাদের সকল নেক আমলগুলোকে কবুল করে নিন। আমাদের জীবনের সকল গুণাহ মাফ করে দিন।

ইয়া রব্বাল আলামিন, বিশেষ করে বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু, মুসলিম উম্মাহর কল্যাণকামী, সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট, শেখ খলিফা বিন জায়েদ আল নাহিয়ান গতকাল ইন্তেকাল করেছেন, আমরা তার রুহের মাগফিরাত কামনা করছি, মেহেরবানী করে তাকে আপনি ক্ষমা করে দিন। তার জীবনের সমস্ত ভালোকাজকে কবুল করে নিন। তার কবরকে আপনি রওজাতুম মিন রিয়াদিল জান্নাহ এ পরিণত করে দিন। তার পরিবারের ওপর আপনার রহমত নাযিল করুন।

 

ইয়া আল্লাহ তায়ালা বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর মধ্যে একতা, শৃংখলা, শান্তি ও নিরাপত্তা দান করে দিন।

 

আমাদের দেশের ওপর আপনার শান্তি ও রহমত নাযিল করুন। দেশের স্বাধীনতা ও অখন্ডতাকে হেফাযত করুন।

বাংলাদেশ সশত্র বাহিনী, বিশেষকরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সকল সদস্যের ওপর আপনার একান্ত রহমত দান করুন।

ইয়া আল্লাহ সর্ব শেষ আপনার দরবারে আরজ আমাদের এই দোয়াকে কবুল করে মরহুম খলিফার পরকালীন জীবনকে শান্তিময় করে তাকে জান্নাতের মেহমান হিসেবে কবুল করে নিন।

আমিন। বিরহমাতিকা ইয়া আরহামার রাহিমীন।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট এবং আবুধাবির শাসক শেখ খলিফা বিন জায়েদ আল নাহিয়ান শুক্রবার (১৩ মে ২০২২) মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর। দেশটির প্রেসিডেন্টের কার্যালয় এই তথ্য জানিয়েছে।

২০০৪ সালে আমিরাতের প্রথম প্রেসিডেন্ট শেখ জায়েদ বিন সুলতান আল নাহিয়ানের মৃত্যুর পর তার ছেলে শেখ খলিফা বিন জায়েদ আল নাহিয়ান প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেন। এর এক দশক পর তিনি স্ট্রোকের শিকার হন, তখন থেকেই তাকে জনসম্মুখে খুব বেশি দেখা যায়নি। তিনি বেশ কয়েক বছর ধরে নানা ধরনের শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন।

প্রেসিডেন্ট শেখ খলিফা বিন জায়েদ আল নাহিয়ান সংযুক্ত আরব আমিরাতের দ্বিতীয় প্রেসিডেন্ট এবং আবু ধাবির ১৬তম শাসক ছিলেন। এছাড়াও সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে অবস্থিত বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু টাওয়ারটির নাম প্রয়াত শাসকের নামে বুর্জ খলিফা রাখা হয়।

১৯৪৮ সালের ৭ সেপ্টেম্বর আমিরাতের আল মুওয়াইজি ফোর্টে জন্মগ্রহণ করেন শেখ খলিফা। আমিরাতের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম প্রেসিডেন্ট শেখ জায়েদ বিন সুলতান আল নাহিয়ানের জ্যেষ্ঠ পূত্র ছিলেন তিনি।

গতকাল শুক্রবার বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে ‘বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ খলিফা বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের ইন্তেকালে আজ ১৪ মে, শনিবার বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয়ভাবে এক দিনের শোক পালন করার ঘোসনা প্রদান করা হয়।’ তারই অংশ হিসেবে আমরা এখন প্রেসিডেন্ট শেখ খলিফা বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের রুহের মাগফিরাতের জন্য মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে বিশেষ দোয়া করব।

দোয়ার শুরুতে সকলে ১ বার সূরা ফাতিহা, ৩ বার সূরা ইখলাস ও কয়েকবার দরুদ শরীফ পাঠ করি।

দোয়া:

 رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ

ইয়া আল্লাহ তায়ালা, যোহরের সালাত আদায় করে সূরা ফাতিহা, সূরা ইখলাস ও দরুদ শরীফ পাঠ করে আপনার শাহী দরবারে হাত তুলেছি। মেহেরবানী করে আমাদের সকল নেক আমলগুলোকে কবুল করে নিন। আমাদের জীবনের সকল গুণাহ মাফ করে দিন।

ইয়া রব্বাল আলামিন, বিশেষ করে বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু, মুসলিম উম্মাহর কল্যাণকামী, সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট, শেখ খলিফা বিন জায়েদ আল নাহিয়ান গতকাল ইন্তেকাল করেছেন, আমরা তার রুহের মাগফিরাত কামনা করছি, মেহেরবানী করে তাকে আপনি ক্ষমা করে দিন। তার জীবনের সমস্ত ভালোকাজকে কবুল করে নিন। তার কবরকে আপনি রওজাতুম মিন রিয়াদিল জান্নাহ এ পরিণত করে দিন। তার পরিবারের ওপর আপনার রহমত নাযিল করুন।

ইয়া আল্লাহ তায়ালা বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর মধ্যে একতা, শৃংখলা, শান্তি ও নিরাপত্তা দান করে দিন।

আমাদের দেশের ওপর আপনার শান্তি ও রহমত নাযিল করুন। দেশের স্বাধীনতা ও অখন্ডতাকে হেফাযত করুন।

বাংলাদেশ সশত্র বাহিনী, বিশেষকরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সকল সদস্যের ওপর আপনার একান্ত রহমত দান করুন।

ইয়া আল্লাহ সর্ব শেষ আপনার দরবারে আরজ আমাদের এই দোয়াকে কবুল করে মরহুম খলিফার পরকালীন জীবনকে শান্তিময় করে তাকে জান্নাতের মেহমান হিসেবে কবুল করে নিন। আমিন। বিরহমাতিকা ইয়া আরহামার রাহিমীন।